ইসলামের পরিচয়
ইসলামের পরিচয়
ইসলাম একটি আরবি শব্দ এর আভিধানিক অর্থ অনুগত হওয়া , আনুগত্য কর্ আত্মসমর্পণ করা, শান্তির পথে চলা মুসলমান হওয়া।
শরীয়তের পরিভাষা ইসলাম অর্থ আল্লাহতালার অনুগত হওয়া,আনুগত্য করা ও তার নিকটপূর্ণ আত্মসমর্পণ করা। বিনা দ্বিধায় তার আদেশ-নিষেধ মেনে চলা ও তার দেওয়া বিধান অনুসারে জীবন যাপন,করা। আর যিনি ইসলামের বিধান অনুসারে জীবন যাপন করেন তিনি হলেন মুসলিম বা মুসলমান।
ইসলাম আল্লাহ তাআলার মনোনীত একমাত্র দিন, একটি পূর্ণাঙ্গ ও পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থ। দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত এ ব্যবস্থার আলোকে একজন মুসলমানকে জীবন যাপন করতে হয়। ইসলামের রয়েছে সুষ্ঠ সমাজ রাষ্ট্র ও অর্থব্যবস্থা, রয়েছে জাতীয় আয় ও আন্তর্জাতিক নীতিমালা, মানব চরিত্রে উৎকর্ষ সাধন ন্যায়-নীতি ও সুবিচার ভিত্তিক শান্তি শৃঙ্খলা পূর্ণ গতিশীল সুন্দর সমাজ গঠন ও সংরক্ষণে ইসলামের কোন বিকল্প নেই , হতেও পারে না ,পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলাএরশাদ করেন ان الدين عند الله الاسلام।
রেজিষ্ট্রেশন করুন এবং বোনাস জিতুন
অর্থ ইসলামই আল্লাহর একমাত্র মনোনীত দিন সূরা আলে ইমরান ১৯।
অন্য আয়াতে ইরশাদ হয়েছে ومن يبتغي غير الاسلام دينا فلن يقبل منه وهو في الاخره من الخاسرين
অর্থ কেউ ইসলাম ছাড়া অন্য কোন দিন গ্রহণ করতে চাইলে তা কখনো কবুল করা হবে না ।সূরা আলে ইমরান ৮৫
হাদিস শরীফে ইসলামের একটি সংজ্ঞা ও সুপরিচিত সুন্দর ভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন।
,الاسلام ان تشهد ان لا اله الا الله وان محمدا رسول الله وتقيم الصلاه وتؤتي الزكاه
وتصوم رمضان وتحج البيت ان استطعت اليه سبيلا
The New Samsung Phone That Brought Back a Recent iPhone Convert
অর্থ ইসলাম হল আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নে্ এবং মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল বলে সাক্ষ্য দেওয়া। সালাত আদায় করা, জাকাত প্রদান কর্ রমজানের রোজা পালন করা ,এবং সমর্থ থাকলে বাইতুল্লাহ শরীফে হজ আদায় করা । মুসলিম ১০২ সুনানে আবু দাউদ ৪৬৯৫
বস্তুত ইসলামই সকল নবী রাসুলের অভিন্ন ধর্ম। হযরত আদম আলাই সালাম থেকে শুরু করে শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্…আগমনকারী সকল নবী রাসূল মূলত ইসলামের দিকে আহবান করেছেন। এবং এরই ভিত্তিতে নিজ নিজ উম্মতকে নির্দেশনা দিয়েছেন কারণ ইসলাম ধর্মের মর্মকথা হলো ।আল্লাহর পরিপূর্ণ আনুগত্য করা, আর প্রত্যেক নবী যেহেতু নিজে আল্লাহর অনুগত থাকার সাথে সাথে উম্মতকেও এর দিকে দাওয়াত দিয়েছেন তাই সকল নবীর দিনই মূলত ইসলাম
অবশ্য হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম সর্বপ্রথম নিজ ধর্মের নাম ইসলাম এবং তার উম্মতকে উম্মতে মুসলিমা বলে অভিহিত করেছেন কুরআনুল কারীম এরশাদ হয়েছে ربنا وجعلنا مسلمين لك ومن ذريتنا امه مسلمه لك
অর্থ হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের উভয়কে মুসলিম তথা তোমার অনুগত বানাও এবং আমাদের বংশধর হতেও এক উম্মতে মুসলিমা অর্থাৎ এক অনুগত বানাও সূরা বাকারা ১২৮
হযরত ইব্রাহিম আলাই সালাম তার সন্তানদের উপদেশ দিয়ে বলেছেন فلا تموتن وانتم مسلمون
অর্থ তোমরা মুসলিম না হওয়া অবস্থায় মৃত্যুবরণ করো না সূরা বাকারা ১৩২
হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম উম্মতে মুহাম্মদীকে নামে অভিহিত করেছেন আল কুরআনে এরশাদ হয়েছে ।
مله ابيكم ابراهيم هو سماكم المسلمين من قبل وفي هذا
অর্থ এটি তোমাদের পিতা ইব্রাহিমের মিল্লাত তিনি পূর্বেই তোমাদের নামকরণ করেছেন মুসলিম এবং এই কিতাব এই কিতাবেও
মোটকথা নবী-রাসূলগণের প্রচারিত ধর্মের মৌলিক কোন পার্থক্য ছিল না কিন্তু প্রত্যেকের শরীয়ত ছিল ভিন্ন ভিন্ন আল কুরআনের এরশাদ হয়েছে
لكل جعلنا منكم شرعه ومن هذا
অর্থ আমি তোমাদের প্রত্যেকের জন্য শরীয়ত স্পষ্ট পথ নির্ধারণ করেছি সূরা মায়িদা ৪৮
হযরত আদম আলাইহিস সালাম থেকে নবী-রাসূলগণের যে ধারাবাহিকতা শুরু হয়েছিল, তার সমাপ্তি ঘটেছে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম এর মাধ্যমে। তিনি আখেরী নবী।তারপর আর কোন নবী রাসূল আসবে.। তার আগমনে পূর্ববর্তী সমস্ত শরীয়ত রহিত হয়ে গিয়েছে। হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর পরিচয়-
আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে আদর্শ ও বিধি-বিধান নিয়ে এসেছেন তা অকাট্টভাবে প্রমাণিত তা মনে প্রানে বিশ্বাস করাকে ইসলাম বলা হয় ।
প্রকৃতপক্ষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশনা মোতাবেক নিজেকে আল্লাহর নিকট সঁপে দেওয়া এবং পরিপূর্ণভাবে আত্মসমর্পণ করার নামই হলো ইসলাম। যে আত্মসমর্পণ করে তাকে বলা হয় মুসলিম। ইসলাম গ্রহণ করার পর কোন ব্যক্তির ইসলাম পরিপন্থী নিজস্ব খেয়াল খুশি এবং ধ্যান ধারনা অনুসরণের কোন সুযোগ থাকে । কারণ, সে তো আল্লাহর জন্যই সমর্পিত। তার জীবন, মরণ সবকিছুই এক আল্লাহর উদ্দেশ্যে নিবেদিত। আল কুরআনে এরশাদ হয়েছে-
وما كان لمؤمن ولا مؤمنه اذا قضى الله ورسوله امرا ان يكون لهم الخيره من امرهم ومن يعص الله ورسوله فقد ضل ضلالا مبينا
অর্থ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল কোন বিষয় নির্দেশ দিলে কোন মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীর সে বিষয়ে ভিন্ন সিদ্ধান্তের অধিকার থাকে না। কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে অমান্য করলে সে তো স্পষ্টই পথভ্রষ্ট হবে। সূরা আহযাব ৩৬
অন্যদিকে ইসলাম হলো মানুষের স্বভাবজাত ধর্ম দিনে ফিতরাত। মানুষকে যে সহজাত প্রকৃতি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন, তাই হলো ফিতরাত। হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে- كل مولود يولد على الفطره
প্রতিটি শিশুই সহজাত প্রকৃতির তথা ইসলামের উপর জন্মগ্রহণ করে সহিহ বুখারী ১৩৮৫।
এখানে ফিতরাত বা ইসলামের কথা উল্লেখ করে হেদায়েত গ্রহণের যোগ্যতার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। এ কারণেই প্রতিটি মানুষের মধ্যে উচ্চতর শক্তির সামনে আত্মসমর্পণের সহজাত প্রেরণা পরিলক্ষিত হয়। কেউ চন্দ্র সূর্যকে মহাশক্তি মনে করে সেগুলোর কাছে মাথা নত করে। কেউ আগুনের পূজা করে। কেউ নিজের চেয়ে অধিকতর শক্তিমান মানুষের পূজায় আত্মনিয়োগ করে। কখনো তারা নিজেদের কল্পিত দেবদেবীর মূর্তি তৈরি করে সেগুলোর সামনে শির নত করে। আবার এই মানুষই কখনো অহংকারী হয়ে নিজেকে প্রভু বলে ঘোষণা করে। অর্থাৎ মানুষ কখনো তার এই স্বভাব থেকে বিচ্যুত থাকেনি। তবে সে বিভ্রান্ত হয়েছে। পক্ষান্তরে মানুষের সহজাত প্রেরণার চাহিদা এটাই ছিল যে, মানুষ এমন এক মহান ও শাশ্বত সত্তার সামনে নিজেকে উৎসর্গ করবে। যিনি সকল শক্তি, সকল ক্ষমতা ও সৌন্দর্যের উৎস। মানুষের জ্ঞান বুদ্ধির সীমাবদ্ধতার ঊর্ধ্বে যার অবস্থান। যিনি মানুষের সকল দাবি ও চাহিদা পূরণে এবং তাদের সহজাত প্রেরণা ও উৎসাহকে তৃপ্ত করতে সক্ষম। এই পূর্ণতম সত্যাই হলেন আল্লাহ রব্বুল আলামীন- সারা জাহানের পালনকর্তা
মোটকথা, ইসলাম আল্লাহর মনোনীত একমাত্র পূর্ণাঙ্গ জীবন-ব্যবস্থা। হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ তায়ালার সর্বশেষ নবী। কুরআন তার প্রতি নাযিলকৃত সর্বশেষ কিতাব।
মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পূর্ববর্তী সকল শরীয়ত ও কিতাব রহিত হয়ে গেছে। এরপর আর কোন নবী আসবেনা এবং কোন কিতাবও নাযিল হবে না। যারা এর আকিদা পোষণ করবে, তারা মুসলিম। আর যারা এ আকীদা পোষণ করবে না, তারা অমুসলিম- কাফের।
ইসলাম হলো শান্তিপূর্ণ নির্ভেজাল এবং ভারসাম্যপূর্ণ জীবনাদর্শের বাস্তব নমুনা । ইসলামে কোন বৈরাগ্য নেই। ইসলাম মানুষকে এক কর্মময় জীবনের প্রতি উদ্বুদ্ধ করে । যেখানে রয়েছে নিজের, প্রতিটি মানুষে্ নিজের আত্মীয়- স্বজনের এবং দেশ- জাতির তথা পুরো বিশ্বের কল্যাণ। কাজে প্রত্যেক মুসলমানকে তার প্রতিদিনের কথা, কাজ-কর্ম আচার-আচরণে একথা প্রমাণ করতে হবে সে আল্লাহর একজন অনুগত বান্দা এবং নবীজির উম্মত।
ঈমানের পরিচয়
ঈমান অর্থ, শরীয়তের যাবতীয় হুকুম- আহকাম অন্তর দিয়ে বিশ্বাস করা এবং এগুলোকে নিজের দিন হিসেবে বরণ করে নেওয়া। আর পরিপূর্ণ মুমিন হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি শরীয়তের বিষয়গুলো গভীরভাবে বিশ্বাস করেন এবং এগুলোর মৌখিক স্বীকৃতি সহ বাস্তব জীবনে পূর্ণাঙ্গভাবে আমল করে চলেন।
ঈমানের মৌলিক বিষয়গুলো পবিত্র কুরআন ও হাদিসের বিভিন্ন স্থানে বর্ণিত হয়েছে। ঈমানে মুফাসসালে সেই বিষয়গুলোর একটি সহজ বর্ণনা পাওয়া যায়।
امنت بالله وملائكته وكتبه ورسله واليوم الاخر والقدر خيره وشره من الله تعالى والبعث بعد الموت
অর্থ; আমি ঈমান আনলাম আল্লাহর ওপর , তার ফিরিস্তা গণের ওপর, তার কিতাবসমূহের ওপর, তার রাসূলগণের ওপর আখেরাতের ওপর তাকদীরের ভালো মন্দের সবকিছু আল্লাহর ইচ্ছায় হয়- এর ওপর এবং মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত হওয়ার উপর।
তকদীর কাকে বলে
তাকদীর শব্দটি আরবি কদর قدرথেকে উৎপন্ন।
এর অর্থ নির্ধারণ করা , আকৃতি দান করা , ব্যবস্থাপনা করা ইত্যাদি , পরিভাষায় তাকদীরের সংজ্ঞা- সৃষ্টির যাবতীয় বিষয় তথা ভালো- মন্দ , উপকার- অপকার ইত্যাদির স্থান- কাল এবং এসবের শুভ অশুভ পরিনাম পূর্ব থেকে নির্ধারিত হওয়া ।
এর ব্যাখ্যা হল , জগতের যাবতীয় বস্তু তথা মানুষ ও জিনসহ যত সৃষ্টি রয়েছে , সবকিছুর উৎপত্তি ও বিনাশ , ভালো ও মন্দ , উপকার ও অপকার ইত্যাদি কখন কোথায় ঘটবে এবং এর পরিণাম কি হবে- মাখলুক সৃষ্টির পূর্বেই আল্লাহ তাআলা নির্ধারণ করে রেখেছেন ।
জগতে যা কিছু ঘটছে এবং ঘটবে লেখা আছে । তাকদীর এর বাইরে কিছু নেই , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-
كل شيء بقدر حتى العجز والكيس
অর্থ প্রত্যেক জিনিসই তাকদীর অনুসারে সংঘটিত হয়ে থাকে , এমনকি অক্ষমতা এবং বুদ্ধিমত্তা । সহিহ মুসলিমঃ ৬৯২২, মুয়াত্তা মালেক ৩৩৪০।
কদরুন শব্দের সাথে আরেকটি শব্দ ব্যবহৃত হয় , তা হল কাযা قضاء
কাজা শব্দের আভিধানিক অর্থ ফায়সালা করা , হুকুম দেওয়া ইত্যাদি ।
পরিভাষায় অনন্তকাল ধরে সৃষ্ট বস্তু সম্বন্ধে আল্লাহ তায়ালার অনাদি ইচ্ছা বা পরিকল্পনাকে কাযা বলা হয় । আর কদরুন হচ্ছে ওই সংক্ষিপ্ত পরিকল্পনার বিস্তারিত ও বাস্তব রূপ ।
মোটকথা , কোনো জিনিসই তাকদীরের বাইরে নয় , তবে তাকদীর মানুষের কাজের কারণ নয় এবং তাদের লিপিবদ্ধ আছে বলেই মানুষ ভালো- মন্দ ইত্যাদি করছে বিষয়টি এমনও নয় । বরং মানুষ ভবিষ্যতে যা করবে এবং তার জন্য যা- কিছু ঘটবে , আল্লাহ তায়ালা যেহেতু আগে থেকেই জানেন । তাই তিনি তা পুর্বেই লিখে রেখেছেন । আল্লাহ লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন বলে মানুষ এমনটা করছে বা তার এমনটা ঘটছে- এ কথা ঠিক নয় । বিষয়টি বোঝার জন্য একটি উদাহরণ পেশ করা যায় ।
ধরা যাক , একজন অভিজ্ঞ ডাক্তার তার রোগীর অবস্থা জানেন বলে নিজের ডায়েরিতে লিখে রাখলেন , এ রোগী অমুক সময় অমুক অবস্থায় মারা যাবে , অবশেষে যদি তাই হয় । এক্ষেত্রে ডাক্তারের লিখন রোগীর মৃত্যুর কারণ নয় । ঠিক একই ভাবে , আল্লাহ তায়ালা মানুষের অবস্থা জানেন বলে সব লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন , তবে লিপিবদ্ধকরণ মানুষের কাজের কারণ নয় । মানুষের কাজের কারণ মানুষের নিজের ইচ্ছা ও সংকল্প । কাজেই ভালো- মন্দ কাজের জন্য মানুষ নিজেই দায়ী হবে ।
আরেকটি বোঝার বিষয় হল , এক্ষেত্রে মানুষ বা ডাক্তারের জানা ও অনুমানের মাঝে অনিশ্চয়তা কাকে বলে , কখনো কখনো অনুমানের ভিন্ন কিছু সংঘটিত হতে পারে । কিন্তু আল্লাহ তাআলার জ্ঞান বা জানার মাঝে যেহেতু কোন ভুল নেই , তার বিষয়টি ঠিক সেভাবেই সংঘটিত হয় । কারণ , তিনি আগে থেকে নিশ্চিত ভাবে এর এভাবে সংঘটিত হওয়ার বিষয়টি জানেন।

